আব্দুল আহাদ,স্টাফ রিপোর্টার :: শান্তি ও সম্প্রীতির জনপদ হিসেবে পরিচিত সিলেটের দক্ষিণ সুরমায় একের পর এক নৃশংস হত্যা*কাণ্ডের ঘটনায় সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ও নিরাপত্তাহীনতা ছড়িয়ে পড়েছে।
সর্বশেষ গতকাল সন্ধ্যায় তেতলি ইউনিয়নের লক্ষ্মীপুর গ্রামে গেদা মিয়া নামের এক সহজ-সরল ও নিরীহ মানুষকে নির্মমভাবে হত্যা করেছে সন্ত্রাসীরা। এই বর্বরোচিত হামলায় আরও কয়েকজন গুরুতর আহত হয়েছেন। ঘটনার পর থেকে এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গতকাল সন্ধ্যায় সন্ত্রাসীরা আচমকা হামলা চালিয়ে গেদা মিয়াকে কু*পি*য়ে ও পিটিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করে। হামলায় আহতদের উদ্ধার করে নিকটস্থ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তবে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পুলিশ কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি।
এদিকে, সিলেট-৩ নির্বাচনী এলাকার এই নৃসংশ হত্যাকাণ্ডের পর ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় জনগণ ও বিশিষ্টজনেরা। এলাকার সাধারণ মানুষ ও সচেতন সমাজ এই বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। একই সাথে ঘটনায় জড়িত চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের অবিলম্বে গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জোর দাবি তুলেছেন তারা।
এলাকাবাসীর মতে, সিলেট-৩ আসন বরাবরই শান্তি ও সৌহার্দ্যের প্রতীক। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে একের পর এক রক্তপাতের ঘটনায় মানুষ চরম আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে।
বিশিষ্টজনেরা মরহুম গেদা মিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। একই সাথে প্রিয় সিলেট-৩ নির্বাচনী এলাকায় রক্তপাত ও সহিংসতা বন্ধ করে দ্রুত শান্তি, নিরাপত্তা ও সম্প্রীতি ফিরিয়ে আনার জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি জরুরি হস্তক্ষেপের আহ্বান জানান।
সিলেটে মসজিদ-স্কুল কমিটির নেতৃত্ব নিয়ে বিরোধ বিএনপি নেতাকে কু*পি*য়ে হত্যা
আব্দুল আহাদ স্টাফ রিপোর্টার::সিলেটের দক্ষিণ সুরমা উপজেলায় স্থানীয় বিরোধ ও এলাকার মসজিদ-স্কুল পরিচালনা কমিটির নেতৃত্ব নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে গেদা মিয়া (৬০) নামের এক বিএনপি নেতাকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে।
শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সন্ধ্যায় উপজেলার তেতলি ইউনিয়নের লক্ষীপুর গ্রামে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।
নিহত গেদা মিয়া তেতলি ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সহসভাপতি ছিলেন। এছাড়া এলাকায় একজন সালিশি ব্যক্তি হিসেবেও তার পরিচিতি ছিল।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গ্রামের মসজিদ ও স্কুল পরিচালনা কমিটির নেতৃত্ব নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরে গেদা মিয়া ও তার লোকজনের সঙ্গে স্থানীয় বাসিন্দা আলাউদ্দিন ও ইলিয়াসের পক্ষের লোকজনের বিরোধ চলে আসছিল।
এই বিরোধের জের ধরে শুক্রবার সন্ধ্যায় প্রতিপক্ষের কয়েকজন লোক গেদা মিয়া ও তার প্রতিবেশী বাবুল মিয়ার বাড়িতে অতর্কিত হামলা চালান। একপর্যায়ে হামলাকারীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে গেদা মিয়াকে উপর্যুপরি কুপিয়ে গুরুতর আহত করেন।
ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন তাকে দ্রুত উদ্ধার করে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে দক্ষিণ সুরমা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশরাফুজ্জামান জানান, নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলার প্রস্তুতি চলছে।
ওসি আরও বলেন, মামলা দায়েরের আগেই ঘটনার সঙ্গে জড়িত মূল অপরাধীদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এলাকায় আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
সিলেটে মসজিদ-স্কুল কমিটির নেতৃত্ব নিয়ে বিরোধ বিএনপি নেতাকে কু*পি*য়ে হত্যা
আব্দুল আহাদ স্টাফ রিপোর্টার::সিলেটের দক্ষিণ সুরমা উপজেলায় স্থানীয় বিরোধ ও এলাকার মসজিদ-স্কুল পরিচালনা কমিটির নেতৃত্ব নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে গেদা মিয়া (৬০) নামের এক বিএনপি নেতাকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে।
শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সন্ধ্যায় উপজেলার তেতলি ইউনিয়নের লক্ষীপুর গ্রামে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।
নিহত গেদা মিয়া তেতলি ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সহসভাপতি ছিলেন। এছাড়া এলাকায় একজন সালিশি ব্যক্তি হিসেবেও তার পরিচিতি ছিল।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গ্রামের মসজিদ ও স্কুল পরিচালনা কমিটির নেতৃত্ব নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরে গেদা মিয়া ও তার লোকজনের সঙ্গে স্থানীয় বাসিন্দা আলাউদ্দিন ও ইলিয়াসের পক্ষের লোকজনের বিরোধ চলে আসছিল।
এই বিরোধের জের ধরে শুক্রবার সন্ধ্যায় প্রতিপক্ষের কয়েকজন লোক গেদা মিয়া ও তার প্রতিবেশী বাবুল মিয়ার বাড়িতে অতর্কিত হামলা চালান। একপর্যায়ে হামলাকারীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে গেদা মিয়াকে উপর্যুপরি কুপিয়ে গুরুতর আহত করেন।
ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন তাকে দ্রুত উদ্ধার করে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে দক্ষিণ সুরমা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশরাফুজ্জামান জানান, নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলার প্রস্তুতি চলছে।
ওসি আরও বলেন, মামলা দায়েরের আগেই ঘটনার সঙ্গে জড়িত মূল অপরাধীদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এলাকায় আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।